সিলেটরবিবার , ২৮শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. এক্সক্লুসিভ
  5. কৃষি ও প্রকৃতি
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলা
  8. গণমাধ্যম
  9. জবস
  10. জাতীয়
  11. জোকস
  12. টপ নিউজ
  13. তথ্যপ্রযুক্তি
  14. ধর্ম
  15. প্রবাস

মাহমুদউল্লাহ আর কীই-বা বলবেন?

বৈরাগীবার্তা অনলাইন ডেস্ক
আপডেট : নভেম্বর ২০, ২০২১
Link Copied!

ছেলেরা অনুশীলনে অনেক পরিশ্রম করছে। ক্যাচ ধরছে, সবকিছু ঠিকঠাক করছে। কিন্তু ম্যাচে সুযোগ হাতছাড়া করছে।’ পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি হারের পর কথাগুলো বলছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে পাঁচ ম্যাচ। পাকিস্তানের বিপক্ষে আরও দুই ম্যাচ। টানা সাত ম্যাচ একটা দল হারতে থাকলে অধিনায়কের আর কীই-বা বলার থাকে!
মাহমুদউল্লাহর হয়েছে সেই দশা। একেকটি নতুন দিন, নতুন ম্যাচ। ফল সেই একই। সতীর্থদের আগলে রাখতে বাংলাদেশ অধিনায়ক এর চেয়ে বেশি আর কী করতে পারেন! শুধু তো সতীর্থ নয়, নিজের পারফরম্যান্সও যে তাঁর পাশে দাঁড়াচ্ছে না। প্রথম ম্যাচে যে মুহূর্তে দল তাঁকে সবচেয়ে বেশি করে খুঁজছিল সেই মুহূর্তে ১১ বলে ৬ রানে আউট হয়ে আসেন। আজও একই গল্প। আফিফের বিদায়ের পর শান্তর সঙ্গে মাহমুদউল্লাহর একটা ভালো জুটিই হয়তো বাংলাদেশের সংগ্রহটাকে আরেকটু স্বাস্থ্যবান করতে পারত।

স্বাস্থ্যবান তো দূরে থাক, উল্টো আগের দিনের চেয়ে আজ আরও ১৮ রান কম করেছে বাংলাদেশ। তৃতীয় উইকেট জুটিতে শান্তর সঙ্গে আফিফের ৪৬ রানের জুটিতে ভালো একটা সংগ্রহের স্বপ্ন দেখছিল বাংলাদেশ। শুধু রানের সংখ্যার কথা বললে দুজনের জুটিটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়! দ্রুত দুই উইকেট হারানোর পর সিংগেলস-ডাবলে স্কোরবোর্ডটা সচল রেখেছিলেন দুজন। পাকিস্তান ফিল্ডারদের ব্যতিব্যস্ত রেখে ৪৯ বলের জুটিতে তাঁরা দৌড়ে নেন ১৯ রান। রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে আফিফের ‘আত্মহত্যায়’ এই জুটি ভাঙার পর মাহমুদউল্লাহর কাঁধে দলকে এগিয়ে নেওয়ার একটা আশা তো ছিলই।

১৫ বলে ১২ রানের ইনিংসটা বলছে মাহমুদউল্লাহ সেটা পারেননি। ম্যাচ শেষে সেই না পারাটাই প্রতিধ্বনিত হলো মাহমুদউল্লাহর কণ্ঠে, ‘আমরা ভালো শুরু করেছিলাম। আফিফ ও শান্ত ভালো ব্যাট করেছে। আমি আর শান্ত চেষ্টা করেছিলাম একটা জুটি গড়তে। কিন্তু শেষ কয়েক ওভার কাজে লাগাতে পারিনি।’ ঘুরে দাঁড়ানোর কাজটা বাংলাদেশ যে করতে পারেনি, মাহমুদউল্লাহর আউটের পর স্কোরবোর্ডে আর মোটে ৩০ রান যোগ করতে পারা তার প্রমাণ।
আগের দিন তা-ও ১২৭ রানের পুঁজি নিয়ে বোলাররা শেষ ওভার পর্যন্ত লড়েছিলেন। এদিন আর সেটাও হলো না। অবশ্য স্কোরবোর্ডে ১০৯ রানের পুঁজির পর বোলারদের খুব বেশি করারও থাকে না। তারপরও মিরপুরের উইকেট মাথায় রেখে জয়ের কোনো আশা যদি উঁকি দিয়ে যায়, সেটা বাবর আজমের দ্রুত বিদায়ের পর! তবে ক্যাচ মিস সেই আশাটাও মাটি করে দিয়ে যায়।

ডিপ মিডউইকেটে সাইফ হাসান যখন রিজওয়ানের ক্যাচ মিস করেন, তখনো পাকিস্তান—১১.২ ওভারে ৬০ রান। ক্যাচ মিস হয়েছে আরও একটা। তবে ততক্ষণে ম্যাচ প্রায় পাকিস্তানের পকেটে। টানা হারেই কী দলের এই বেহাল অবস্থা? মাহমুদউল্লাহ দুষলেন দলের ব্যাটিংকে, ‘গত পাঁচ-ছয় মাসে আমাদের বোলিং আক্রমণ অসাধারণ খেলছে। পেস ও স্পিন দুই বিভাগই ভালো করছে। এখন ব্যাটিং বিভাগকে নিজেদের কাজটা করতে হবে।’

টানা হারের বৃত্ত, সুযোগ হাতছাড়া, ব্যাটারদের খাবি খাওয়া—সবাই তো দেখছে, মাহমুদউল্লাহও দেখছেন। তা নতুন করে মাহমুদউল্লাহ আর কীইবা বলবেন?

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।